আচার্যো ব্ৰহ্মণো মূর্তিঃ পিতা মুর্তিঃ প্রজাপতেঃ।
মাতা
পৃথিব্যা মূর্তিস্তু ভ্রাতা স্বো মূর্তিরাত্মনঃ॥
যং
মাতাপিতরৌ ক্লেশং সহেতে সম্ভবে নৃণাম্।
ন
তস্য নিষ্কৃতিঃ শক্যা কর্তুং বর্ষশতৈরপি॥
তয়োর্নিত্যং
প্রিয়ং কুর্যাদাচার্যস্য চ সর্বদা।
তেষ্বেব
ত্ৰিষু তুষ্টেষু তপঃ সর্বং সমাপ্যতে॥
তেষাং
ত্রয়াণাং শুশ্রূষা পরমং তপ উচ্যতে।
ন
তৈরভ্যননুজ্ঞাতো ধর্মমন্যং সমাচরেৎ॥
-(মনুসংহিতা-২/২২৬-২২৯)
—আচার্যই বেদান্ত
প্রতিপাদ্য পরব্ৰহ্মের মূর্তি, পিতা হিরণ্যগর্ভ প্রজাপতির
মূর্তি, মাতা পৃথিবীর মূর্তি
ও সহোদর ভ্রাতা নিজের মূর্তিস্বরূপ। মানুষের গর্ভাধানের পরে মাতাপিতা প্রসববেদনা,
রক্ষণবর্দ্ধনাদিরূপ যে কষ্ট সহ্য
করেন, শতবর্ষেও তা শোধ করা
যায় না। সর্বদা প্রত্যহ
তাঁদের উভয়ের ও আচার্যের প্রিয়কর্ম
করবে; সেই তিনজন প্রীত
হলে সকল তপস্যা সমাপ্ত
হয়। সেই তিনজনের শুশ্রূষাই
শ্রেষ্ঠ তপস্যা বলে কথিত হয়।
তাঁদের অনুমতি ব্যতিরেকে অন্য ধর্ম আচরণ
করবে না।......
শ্রীশুভ
চৌধুরী
এপ্রিল
২১, ২০২৪ খৃষ্টাব্দ।

No comments:
Post a Comment