বৈশাখ মাসের শুক্লাতৃতীয়াকে অক্ষয় তৃতীয়া বলে। এই দিনে স্নান, দান, তপ, শ্রাদ্ধ এবং হোম ইত্যাদি অনুষ্ঠান করলে তা সকলই অক্ষয় ফল দান করে।
বৈশাখমাসস্য
তু যা তৃতীয়া নবম্যসৌ
কার্তিকশুক্লপক্ষে।
নভস্যমাসস্য
তমিস্রপক্ষে ত্রয়োদশী পঞ্চদশী চ মাঘে ৷৷
এতা
যুগাদ্যাঃ কথিতাঃ পুরাণৈ- রনন্তপুণ্যাস্তিথয়শ্চতস্রঃ।
-(বিষ্ণুপুরাণ তৃতীয়াংশ,
অধ্যায় ১৪, ১২-১৩)
—বৈশাখমাসের শুক্লা
তৃতীয়া, কার্তিকের শুক্লা নবমী, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশী এবং মাঘ মাসের
অমাবস্যা— এ চার তিথিকে
পুরাণে ‘যুগাদ্যা’ নামে অভিহিত করা
হয়। এই চারতিথি অনন্ত
পুণ্যদায়িনী। এই চার দিবসে
শ্রাদ্ধাদি করলে, অনন্ত ফললাভ হয়।
অথান্যামপি
বক্ষ্যামি তৃতীয়াং সর্বকামদাম্।
যস্যাংদত্তং
হুতং জপ্তং সর্বং ভবিত চাক্ষয়ম্।।
বৈশাখশুক্লপক্ষে
তু তৃতীয়া যৈরুপোষিতা।
অক্ষয়ফলমাপ্নোতি
সর্বস্য সুকৃতস্য চ।।
সা
তথা কৃত্তিকোপেতা বিশেষনে সুপূজিতা।
তত্র
দত্তং হুতং জপ্তং সর্বক্ষয়মুচ্যতে।।
-(মৎস্যপুরাণ, ৬৫,
১-৩)
—অনন্তর অপর
এক সর্বকামদায়িনী তৃতীয়া তিথির বিষয় বলছি। এই তিথিতে দান,
হোম, জপ ইত্যাদি যা
কিছু করা যায়, সে
সকলই অক্ষয় হয়ে যায়। বৈশাখ
মাসের শুক্লপক্ষীয় তৃতীয়া তিথিতে যে সকল ব্যক্তি
উপবাস করে, তারা নিখিল
সুকৃতি সঞ্চয়ের অক্ষয় ফল লাভ করে।
এই তৃতীয়া তিথি কৃত্তিকানক্ষত্রে অন্বিতা
হলে সবিশেষ প্রশস্ত হয়। তাতে দান,
হোম বা জপ যে
কিছু করা যায়, তা
সকলই অক্ষয় ফলজনক বলে শাস্ত্রে কীৰ্ত্তিত।.....
শ্রীশুভ
চৌধুরী
অক্ষয়
তৃতীয়া, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।

No comments:
Post a Comment